

নির্বাচনী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ সিলেটসহ তিনটি জেলায় সফরে যাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সফরের প্রথম দিনেই তিনি হবিগঞ্জ জেলা শহরের ঐতিহাসিক নিউফিল্ড মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন।
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এই জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন জামায়াত আমির। আগামীকাল রোববার থেকে টানা তিন দিন তিনি রাজধানীর বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেবেন।
জনসভা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ব্যানার ও ফেস্টুনে সাজানো হয়েছে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং জনসভাস্থল। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

দীর্ঘ ২২ বছর পর ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় নগরীর সার্কিট হাউস মাঠে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনী জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।
এই জনসভায় ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের একই মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে করণীয় নিয়ে দিকনির্দেশনা দেবেন তারেক রহমান। সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন।
সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম জানান, চার জেলা ও মহানগরসহ দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, বিপুল জনসমাগমের কথা বিবেচনায় রেখে সমাবেশস্থলে একাধিক স্থানে এলইডি স্ক্রিন বসানো হচ্ছে এবং নারী উপস্থিতিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে রয়েছে মূল মঞ্চের কাজ।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে একটি নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে শান্তিপূর্ণ ও নির্ভয়ে ভোটগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ১০ দলীয় জোট মনোনীত ঢাকা–১১ আসনের প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর ভাটারা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ শুরুর আগে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছে এবং ফ্যামিলি কার্ডের মতো প্রলোভন দেখিয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তার অভিযোগ, অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, যা থেকে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সবাইকে সাহসের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে দলের কর্মীদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে সতর্ক ভূমিকা পালনের নির্দেশও দেন তিনি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনী জোটে না থাকার ঘোষণা দেওয়ায় জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঝুলিতে আরও প্রায় ১০টি আসন যুক্ত হতে পারে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। সে ক্ষেত্রে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি প্রায় ৪০টি আসনে প্রার্থী দিতে পারে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এনসিপির একটি দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করলেও সম্ভাব্য বাড়তি আসনগুলোর নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানায়। এর আগে প্রকাশিত প্রাথমিক সমঝোতায় জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি এবং এনসিপি ৩০টি আসনে নির্বাচন করার কথা ছিল। পাশাপাশি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফতে মজলিস, এলডিপি, এবি পার্টি, বিডিপি ও নেজামে ইসলামকেও নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়।
তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটের বাইরে থাকায় তাদের জন্য নির্ধারিত আসনগুলো পুনর্বণ্টনের আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় এনসিপির অংশ বাড়ার সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বর্তমানে এনসিপির চূড়ান্ত করা আসনের সংখ্যা ২৭টি। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চল থেকে শুরু করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসন রয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, শরিকদের সঙ্গে চলমান আলোচনার মাধ্যমে খুব শিগগিরই নতুন করে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হতে পারে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
সাক্ষাৎকালে চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন (ডিসিএম) ড. লিউ ইউইন, পলিটিক্যাল ডিরেক্টর ঝাং জিং, রু কি (রাকি) এবং নাফিসা (লিয়াং শুইন)।
অন্যদিকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ, উন্নয়ন টিম লিড দেওয়ান আলমগীর এবং আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সাক্ষাৎকালে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির সামগ্রিক চালচিত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় উভয় পক্ষই বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক মতবিনিময়ের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
রোববার (১১জানুয়ারি) নাহিদ ইসলামের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করবেন। দলের মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রচার শুরুর আগে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)–এর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর সিলেটসহ আশপাশের এলাকায় পথসভা ও জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি চেয়ারম্যান জানান, প্রতীক বরাদ্দ শেষ হওয়ার পর পরিকল্পিতভাবে জনগণের সামনে দলের নির্বাচনী বার্তা তুলে ধরা হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ এবং পরদিন থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হবে।
সিলেট সফর শেষে তারেক রহমান সড়কপথে ঢাকায় ফেরার সময় বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী কার্যক্রম চালাবেন। এর মধ্যে মৌলভীবাজারে জনসভা এবং শ্রীমঙ্গলে পৃথক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দেওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফর সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।

হজরত ইব্রাহিম (আ.)–এর কোরবানির সঙ্গে রাজনৈতিক ঘটনার তুলনা টেনে দেওয়া এক বক্তব্যকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে রংপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির এটিএম আজম খানের বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্যের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলে অনেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
গত ৮ জানুয়ারি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কদমতলা এলাকায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ বক্তব্য দেন। সভায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় দেড় মিনিটের ভাইরাল ভিডিওতে এটিএম আজম খানকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্র থেকে ফোন পেয়ে তাকে ‘কোরবানি দেওয়া হয়েছে’ বলা হয়। তিনি সেখানে হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.)–এর কোরবানির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তার ক্ষেত্রে কোরবানির অর্থ পীরগাছা–কাউনিয়া এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষের ত্যাগ, যা তিনি বড় কোরবানি হিসেবে উল্লেখ করেন।
ভিডিওতে আরও শোনা যায়, তিনি এই পরিস্থিতিকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে দুঃখকে শক্তিতে রূপান্তরের আহ্বান জানান।
বক্তব্যটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। অনেকেই একে অনভিপ্রেত ও ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল মন্তব্য হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য, এটিএম আজম খান রংপুর-৪ আসনে জামায়াতের প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। তবে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির জোটগত সমঝোতার কারণে ওই আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেননি এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপির আখতার হোসেনকে সমর্থন দিয়েছেন।

জামায়াত জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, আগামী এক–দুই দিনের মধ্যেই জোটের চূড়ান্ত আসন বণ্টনের ঘোষণা আসতে পারে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান নির্বাচন পর্যবেক্ষক আইভার্স ইজাবসের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে ইইউ বড় পরিসরের পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে যাচ্ছে এবং তারা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
বৈঠকে এনসিপির পক্ষ থেকে নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরা হয়। তার অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল প্রশাসনিক নিরাপত্তা সুবিধা পাচ্ছে, যা ভোটের পরিবেশ নিয়ে জনগণ ও গণমাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার না হলে নির্বাচনী নিরাপত্তা আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। তার দাবি, ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার মাধ্যমে ইসি পক্ষপাতমূলক ভূমিকা রাখছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা এবং কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে করে দুজনেরই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথে থাকা আইনি জটিলতা কাটল।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানি শেষে কমিশন এ সিদ্ধান্ত দেয়। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে করা আপিলে সফল হওয়ায় উভয় প্রার্থীর প্রার্থিতা পুনর্বহাল হয়।
এদিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল শুনানি শুরু করেছে ইসি। কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সব কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। প্রথম দিনের শুনানিতে ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিল নিষ্পত্তির কথা থাকলেও এর মধ্যেই তাসনিম জারা ও হামিদুর রহমান আযাদের আপিলের রায় ঘোষণা করা হয়।
ইসি সূত্র জানায়, আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ধাপে ধাপে আপিল শুনানি চলবে। সূচি অনুযায়ী ১১ জানুয়ারি ৭১–১৪০, ১২ জানুয়ারি ১৪১–২১০ এবং ১৩ জানুয়ারি ২১১–২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বাকি আপিলগুলোর সময়সূচি পরে জানানো হবে।
এর আগে ৪ জানুয়ারি মনোনয়ন বাছাই শেষে ৩০০ আসনে জমা পড়া ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২টি বৈধ এবং ৭২৬টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে ৬৪৫টি আপিল জমা পড়ে, যার নিষ্পত্তির মধ্য দিয়ে আগামী দিনগুলোতে আরও অনেক প্রার্থীর নির্বাচনি ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।