

জুলাই সনদের দ্রুত বাস্তবায়ন এবং নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দফা দাবিতে জামায়াতসহ ডানপন্থী আট দল রাজধানীতে পদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকালে শাপলা চত্বরে নেতাকর্মীরা সমবেত হয়ে পরে পল্টনমুখী পদযাত্রা করেন।
কর্মসূচিতে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ মুজিবুর রহমান, মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। পল্টনে পৌঁছে দলগুলো সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে এবং প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়।
দলগুলোর পাঁচ দফা দাবির মূল বিষয়গুলো হলো—
১) জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও নভেম্বরে গণভোট আয়োজন,
২) জাতীয় নির্বাচনে দুই কক্ষ বা উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) পদ্ধতি চালু,
৩) অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি,
৪) ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের’ অভিযোগিত নিপীড়ন ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা,
৫) জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে ‘স্বৈরাচারপন্থী’ হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা।

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অব্যবস্থাপনা ও কিছু স্বার্থান্বেষীর কারণে এখনো মিলিয়ন সংখ্যক ‘ডট বাংলা’ ও ‘ডট বিডি’ ডোমেইন হোস্ট করা যায়নি। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, বর্তমানে মাত্র ৪৫ হাজার সাইট হোস্টেড আছে, যার মধ্যে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দখলেই রয়েছে প্রায় ৩৭ হাজার।
তিনি বলেন, এসব ডোমেইনের সাফল্য প্রায় শূন্যের সমান। আগের প্রশাসনের অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত যেমন “বিদেশ ভ্রমণ হবে না”– এ ধরনের হাস্যকর কারণে এ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন আটকে ছিল।
তৈয়্যব ঘোষণা দেন, দ্রুতই এসব ডোমেইন সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এ জন্য বিটিআরসি ও বিটিসিএলের হাতে রেজিস্ট্রি রাইট রেখে রিসেলার চালু করা হবে এবং এপিআই ডেভেলপমেন্টের কাজ চলছে। তার আশা, এতে বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় কিছুটা হলেও কমবে।
নতুন নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে—
ডট গভ: কেবল সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যাচাই সাপেক্ষে ব্যবহার করতে পারবে।
ডট এডু.বিডি: স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত করা হতে পারে।
ডটকম.বিডি: রিসেলারদের মাধ্যমে চালু হবে।
ডট ওআরজি.বিডি ও অন্যান্য এক্সটেনশন: বিটিআরসি ও বিটিসিএলের আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বর্তমানে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক একটি বড় আপডেট নিয়ে এসেছে, যার ফলে ফেসবুক নিজেই ব্যবহারকারীর প্রোফাইল ও পেজের কনটেন্ট নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছে দেবে। এর মাধ্যমে ফেসবুক থেকে আয়ের সুযোগ আরও সহজ হয়েছে। তবে এই সুবিধা পেতে ও ফেসবুকের মাধ্যমে উপার্জন শুরু করতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত মানতে হবে।
ফেসবুক থেকে আয়ের জন্য প্রধান শর্তাবলী
ফেসবুক এখন কনটেন্টকে সহজে দর্শকের কাছে পৌঁছে দিলেও, মনিটাইজেশন পেতে ও প্ল্যাটফর্মে সফল হতে নিচের ৫টি মৌলিক শর্ত মেনে চলতে হবে:
১. মৌলিক কনটেন্ট তৈরি: আয়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো অন্যের কনটেন্ট কপি না করা। ভিডিও, ব্লগ বা যেকোনো পোস্ট হতে হবে সম্পূর্ণ নিজস্ব ও মৌলিক।
২. শেয়ারযোগ্যতা নিশ্চিত করা: এমন কনটেন্ট তৈরি করুন যা দর্শক দেখতে আগ্রহী হবে এবং স্বেচ্ছায় অন্যদের সাথে শেয়ার করতে উৎসাহিত হবে। এর মধ্যে মজার, তথ্যবহুল বা উপকারী কনটেন্ট থাকতে পারে।
৩. ফেসবুকের নীতিমালা অনুসরণ: ফেসবুকের কমিউনিটি গাইডলাইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। নীতিমালা ভঙ্গ করলে মনিটাইজেশন বাতিল হতে পারে। অন্যের ভিডিও/ছবি ব্যবহার, হতাশাজনক বা ঘৃণাসৃষ্টিকারী কনটেন্ট তৈরি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৪. বোনাস সুবিধা: রিলস ভিডিও তৈরি: নতুন দর্শক বা ফলোয়ার বাড়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ধারাবাহিকভাবে আকর্ষণীয় ও মানসম্মত রিলস ভিডিও তৈরি করা। নতুন প্রোফাইল বা পেজের জন্য এটি খুবই কার্যকর।
৫. সঠিক হ্যাশট্যাগ ও কোলাবোরেশন:
* প্রাসঙ্গিক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করলে আপনার পোস্টগুলো সঠিক দর্শকের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।
* ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে কোলাবোরেশন করলে তাদের ফলোয়ারদের মাধ্যমে আপনার কনটেন্টও লাখ লাখ মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছে যাবে।
এছাড়াও, যদি বাজেট থাকে, তাহলে প্রোমোশন বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে দ্রুত আপনার কনটেন্টকে আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।