এবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করতে পারবে হাইকোর্টের এক রায়ে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কেবল সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে সোমবার (৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।


রায়ের ফলে বেসরকারি স্কুল, রেজিস্টার্ড কিন্ডারগার্টেন, কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীরাও আগামী ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বরের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।


২০০৮ সালের বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা অনুসারে পরীক্ষা আয়োজনের নির্দেশও দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আইনজীবী নিয়াজ মোর্শেদ জানান, ১৭ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা স্মারক অনুযায়ী শুধু সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৪২ জন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ রিট করেন।


চূড়ান্ত শুনানির পর আদালত সেই স্মারক বাতিল করে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি পরীক্ষা উন্মুক্ত করে দেয়।


প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইনজীবী মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে। তবে আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষার্থীরাও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।