দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত যুবদল নেতার ১৮ দিন পর মৃত্যু

মৃত্যু | Siam Islam
কক্সবাজারে সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত যুবদল নেতা মোহাম্মদ ফারুক শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন। হামলার প্রায় তিন সপ্তাহ পর রোববার সকালে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি কক্সবাজার বৃহত্তর বাস টার্মিনাল যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন।
একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবদলের আরেক নেতা সাইফুল ইসলাম এখনো সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। ময়নাতদন্ত শেষে ফারুকের মরদেহ রোববার সন্ধ্যায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং রাতেই শহরের পশ্চিম লারপাড়া কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, গত ৯ ডিসেম্বর রাতে কক্সবাজার শহরের বাইপাস সড়কে মোটরসাইকেলে আসা হেলমেটধারী দুর্বৃত্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ফারুক ও সাইফুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হামলার পরপরই তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ফারুকের শরীরে একাধিক গুলি লাগে, যার একটি ছিল পিঠে।
ঘটনার পর দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলাটি এখন ফারুকের মৃত্যুর কারণে হত্যা মামলায় রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পুলিশের অভিযানে বান্দরবানের একটি রিসোর্ট থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তে ব্যবহৃত অস্ত্র হিসেবে বিদেশি পিস্তলের তথ্য মিলেছে এবং একজনকে হামলার মূল শুটার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বাইরে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।










