বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, দেশে ডলারের কোনো সংকট নেই এবং আসন্ন রমজানে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে কোনো শঙ্কাও তৈরি হবে না। তিনি বলেন, বৈদেশিক খাত এখন স্থিতিশীল, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ডলারের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে যে কেউ বৈধভাবে ডলার কিনতে পারবেন।

শনিবার ঢাকায় আয়োজিত চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি বলেন, রমজানের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি ইতোমধ্যে খুলে ফেলা হয়েছে, ফলে সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা নেই। এ বছর বিভিন্ন পণ্যে এলসি খোলার পরিমাণ আগের সময়ের তুলনায় ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গভর্নর জানান, চালের দাম বৃদ্ধিই বর্তমানে মূল্যস্ফীতি বাড়ার প্রধান কারণ। শুধু চালের দাম ১৮ শতাংশ বাড়ায় সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি প্রায় ১.৪ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। তার মতে, নীতিগত ব্যর্থতা এবং অতিরিক্ত আমলাতান্ত্রিক হস্তক্ষেপের কারণে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ছে। তিনি বলেন, আমদানি বন্ধ রেখে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায় না; আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়েই দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।

এ ছাড়া তিনি জানান, বর্তমানে আমানতের সুদের হার ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশ হয়েছে এবং এটি আরো বাড়তে পারে।