ফখরুল-আব্বাস-গয়েশ্বরদের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল পোড়ানোর দুই মামলার প্রমাণ পায়নি পুলিশ

জাতীয় সংবাদ | মোঃ সিয়াম ইসলাম
রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং মির্জা আব্বাসসহ ১৪৭ জন আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। মোটরসাইকেল পোড়ানোর ঘটনায় করা এসব মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ
২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর শাহবাগ থানা এলাকায় দুটি পৃথক স্থানে মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় এই মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছিল। একটি মামলায় আসামি করা হয়েছিল ৭০ জনকে এবং অন্যটিতে ৭৭ জনকে। দুই মামলাতেই মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির সিনিয়র নেতারা আসামি ছিলেন।
মামলাগুলোর অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় হাইকোর্টে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানির আগের দিন আসামিরা মোটরসাইকেল পুড়িয়ে বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন।
তবে, পুলিশ তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১০ মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এতে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
আইনজীবীর মন্তব্য
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, "রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্য এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পুলিশ তদন্ত করে কোনো সত্যতা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেছে।"
শুনানির তারিখ
মামলা দুটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত দিন ধার্য করেছেন। ৭০ জন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার শুনানি হবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর এবং ৭৭ জন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার শুনানি হবে ১৫ সেপ্টেম্বর। চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হলে আসামিরা মামলার দায় থেকে মুক্তি পাবেন।
এই মামলাগুলোর উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— আব্দুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন, রুহুল কবির রিজভী, হাবিব উন-নবী খান সোহেল, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, সাইফুল আলম নিরব এবং সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু।










